শুরুতেই তামিম, সৌম্যর বিদায়
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম দুই ওভারেই ফিরে গেছেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার।
২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৪ রান। সাকিব আল হাসান ১ ও মুশফিকুর রহিম শূন্য রানে ব্যাট করছেন।
প্রথম ওভারে কাইল অ্যাবটের লেগ স্টাম্পের বাইরের বলে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি কককে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তামিম ইকবাল (৫)।
দ্বিতীয় ওভারে কাগিসো রাবাদার বলে সীমানায় জেপি দুমিনির হাতে তালুবন্দি হন সৌম্য সরকার।
প্রথম ওভারে কাইল অ্যাবটের লেগ স্টাম্পের বাইরের বলে উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি কককে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তামিম ইকবাল (৫)।
দ্বিতীয় ওভারে কাগিসো রাবাদার বলে সীমানায় জেপি দুমিনির হাতে তালুবন্দি হন সৌম্য সরকার।
রোববার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট ১৪৮ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
মাশরাফি বিন মুর্তজা অধিনায়ক হওয়ার পর এই প্রথম দুই পেসার নিয়ে খেলে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ ওভারে প্রথম পেসার হিসেবে মুস্তাফিজকে বোলিংয়ে আনেন মাশরাফি। এই বাঁহাতি পেসার কোনো উইকেট না পেলেও ভালো বোলিং করেন।
মুস্তাফিজের বল বুঝতে না পেরে কখনও এক হাতে শট খেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা। একবার তো দু প্লেসির হাত থেকে ব্যাটই ছুটে যায়।
স্পিন দিয়ে বোলিং শুরু করা বাংলাদেশ প্রথম ওভারেই ফিরিয়ে দেয় বিপজ্জনক এবি ডি ভিলিয়ার্সকে। ইনিংস উদ্বোধন করতে নামা ডি ভিলিয়ার্সকে মাশরাফির ক্যাচে পরিণত করেন আরাফাত সানি।
চতুর্থ ওভারে নাসির হোসেন ফেরান কুইন্টন ডি কককে। ডি ভিলিয়ার্সের মতো একই ভাবে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
৩১ রানে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানকে হারানো দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিরোধ গড়ে দু প্লেসি ও জেপি দুমিনির ব্যাটে। দ্বাদশ ওভারে বোলিংয়ে ফিরে বিপজ্জনক হয়ে উঠা ৪৬ রানের জুটি ভাঙেন সানি। তার বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সীমানায় ধরা পড়েন দুমিনি।
দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে ডেভিড মিলারকে ফেরান সাকিব। এই উইকেট নিয়ে আব্দুর রাজ্জাককে পেছনে ফেলেন তিনি। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডারের।
৯০ রানে মিলারের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন রাইলি রুশো। অধিনায়কের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়ে দলকে দেড়শ’ রানের কাছাকাছি নিয়ে যান তিনি। ১৯ বলে দুটি করে চার ও ছক্কার সাহায্যে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন রুশো।
সর্বোচ্চ ৭৯ রানে অপরাজিত থাকেন দু প্লেসি। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়কের ৬১ বলের ইনিংসটি গড়া ৮টি চারে। ব্যক্তিগত ১৮ রানে মুস্তাফিজের বলে মুশফিকুর রহিমকে দুরূহ একটি সুযোগ দিয়েছিলেন তিনি।
১৯ রানে দুই উইকেট নিয়ে সানি বাংলাদেশের সেরা বোলার।
0 comments:
Post a Comment