Showing posts with label খেলাধুলা. Show all posts
Showing posts with label খেলাধুলা. Show all posts

৩০ বছর পর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি


binnyঢাকা: ৩০ বছর পর বিনি পরিবারের জন্য ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটলো। ভারতের বিশ্বকাপজয়ী তারকা রজার বিনি ১৯৮৫ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের পর অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে জাতীয় দলে জায়গা পান। সাবেক এই অলরাউন্ডার লংকানদের বিপক্ষে ক্যান্ডি টেস্টে খেলেছিলেন।
৩০ বছর পর রজার বিনির ছেলে স্টুয়ার্ট বিনি শ্রীলংকা সফরের জন্য অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে দলে জায়গা পেলেন। বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, ঠিক তার বাবার মতো প্রথম টেস্টের পর ভারতীয় দলে জায়গা পেলেন স্টুয়ার্ট।
মিল তো আরো রয়েছে। ১৯৮৫ সালে ভারতীয় দলের অধিনায়কের নামের প্রথম অক্ষর ছিল ‘ক’। সেবার ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৮৩’র বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব। ৩০ বছর পর ভারতীয় দলের অধিনায়কের নামের প্রথম অক্ষরও ‘ক’- কোহলি।
Kohliঅবশ্য দলে কেউ নতুন করে ইনজুরিতে পড়েননি। মিডল অর্ডারে ব্যাটিং গভীরতা বাড়ানোর পাশাপাশি কার্যকরী বোলিংয়ের জন্যই অলরাউন্ডার বিনিকে দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। বিনির অন্তর্ভুক্তিতে ভারতীয় স্কোয়াড ১৫ থেকে এখন ১৬ জনে পরিণত হয়েছে।
তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে লংকান স্পিনার রঙ্গনা হেরাথের বোলিং তোপে পড়ে জয়ের জন্য ১৭৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে মাত্র ১১২ রানে গুটিয়ে যায় ভারত। ফলে ৬৩ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কোহলির দল। প্রথম ইনিংসে উইকেটশূন্য থাকা হেরাথ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৭ রানের বিনিময়ে নেন ৭ উইকেট।
আগামী আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া কলম্বো টেস্টে স্টুয়ার্ট বিনির খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি তিনি খেলেন তবে ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিং করবেন এবং দলের পাঁচ নম্বর বোলিংয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।
অলরাউন্ডার স্টুয়ার্ট বিনি জাতীয় দলের হয়ে এই পর্যন্ত ৩টি টেস্ট খেলেছেন। গত বছরের মাঝামাঝিতে ইংল্যান্ড সফরে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রতিটিতেই খেলেছেন বিনি। তিন টেস্টে একটি ফিফটির সাহায্যে ২৩.৬০ গড়ে ১১৮ রান করেন তিনি, যার মধ্যে অভিষেক ম্যাচে ৭৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে নটিংহ্যাম টেস্টে দলকে ড্র পাইয়ে দিতে সাহায্য করেন। তবে বোলিংয়ে উইকেটের দেখা পাননি এই অলরাউন্ডার।

আফগানদের হারিয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ


ডিআরএস’ বিরোধিতার ফাঁদে ভারত

     
ডিআরএস বিরোধিতাই এখন মরণফাঁদ ভারতের। ছবি: এএফপিগল টেস্টের তৃতীয় দিনে আবারও উঠে গেল প্রশ্নটা। ক্রিকেট মাঠে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা পদ্ধতি বা ডিআরএসের ব্যাপারে ভারত তাদের রক্ষণশীলতা ‘পুনর্বিবেচনা’ করবে কি না। বছরের পর বছর ধরে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তের ভুল-ত্রুটি শুধরাতে আইসিসির এই প্রযুক্তি-নির্ভরতা​র বিরোধিতা করে আসছে ভারত। টেস্ট খেলুড়ে অনেক দেশই ডিআরএস পদ্ধতি গ্রহণ করলেও ‘ক্ষমতাবান’ ভারতের বিরোধিতা এই পদ্ধতিটিকে বাধ্যতামূলক করতে দিচ্ছে না ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাকে।
গল টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ভারতের ডিআরএস বিরোধিতা যথেষ্ট প্রশ্নের সম্মুখীন। ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রশ্ন তুলেছে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টের তৃতীয় দিনে আম্পায়ারদের কিছু বাজে সিদ্ধান্তের মুখে পড়ার পর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ডিআরএস-সংক্রান্ত এই গোঁয়ার্তুমি পরিহার করবে কিনা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, গলের তৃতীয় দিনে ভারত কমপক্ষে ৩ /৪টি বাজে সিদ্ধান্তের শিকার হয়েছে। ভারতকে সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে দিনেশ চান্দিমালের বিপক্ষে আউটের দুটি আবেদন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া। গণমাধ্যমের মতে, এই দুটি ক্ষেত্রে ‘ডিআরএস’ শক্ত ভূমিকা পালন করতে পারতো। ডিআরএস থাকলে ভারতীয় দল হয়তো চান্দিমালকে আগেভাগে ফিরিয়ে টেস্ট জয়ের পথে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতো। কিন্তু তাঁর ১৬২ রানের ‘বীরোচিত’ ইনিংসটি গল টেস্টকে নিয়ে গেছে একটা উত্তেজনাপূর্ণ পরিণতির দিকে। আজ টেস্টের চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য ১৭৬ রান করতে হবে ভারতকে। যে লক্ষ্যমাত্রায় চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করার ব্যাপারটি মাথায় রেখেই বলা যায়, ‘যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং।’
টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতে, বিসিসিআইয়ের দৃষ্টিতে এই তিন অক্ষরের ‘ডিআরএস’ সব সময়ই একটি আপত্তিকর শব্দ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। কিন্তু গল টেস্টে কমপক্ষে পাঁচটি সিদ্ধান্ত ভারতের বিপক্ষে যাওয়ায় (ডিআরএস থাকলে হয়তো এর দুই-একটি পক্ষেও যেতে পারতো) ব্যাপারটি নিয়ে বিসিসিআইকে নতুন করে ভাবতে হচ্ছেই।
ভারতের এই জনপ্রিয় পত্রিকাটি লিখেছে, এটা সত্যি যে ডিআরএসের শতভাগ কার্যকারিতা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে। তবে এটি আম্পায়ারদের মাঠের সিদ্ধান্তের ভুল-ত্রুটি অনেকটাই কমিয়ে নিয়ে আসতে পারে। যেখানে অন্য টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলো ডিআরএস মেনে নিয়েছে সেখানে ভারত কেন এর বিরোধিতা করবে! ‘ফেয়ারপ্লে’র জন্যই ডিআরএসটা জরুরি।
গল টেস্টের গতিপথ এভাবে নাটকীয় মোড় নিবে, তা হয়তো শ্রীলঙ্কার অতিআত্মবিশ্বাসী সমর্থকরাও আশা করেননি। আশা না করলেও নিজেদের ইতিহাসের দারুণ এক জয় পেয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা। পক্ষান্তরে টানা তিনদিন ম্যাচের কর্তৃত্ব নিজেদের হাতে রেখে, চতুর্থ দিন এসে খেই হারিয়ে ম্যাচই হেরে বসেছে ভারত। অথচ টস হেরে শ্রীলঙ্কায় টেস্ট জেতার প্রায় বিরল কীর্তির অপেক্ষায় বসেছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। গল টেস্টে সব মিলিয়ে করুণ হারই বরণ করতে হলো ভারতকে।
ইশান্ত শর্মার উইকেট নিয়ে উল্লাস করছেন হেরাথ। গল টেস্টের প্রথম তিন দিনের উল্লাস ছিলো ভারতের। সেই উল্লাস হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে হেরাথের বোলিংয়ের সামনে। সাত উইকেট নিয়ে দলকে নাটকীয় জয় এনে দিয়েছেন তিনি।
শেষ ইনিংসে জয়ের জন্য ভারতের সামনে লক্ষ্য ছিলো ১৭৬ রান। হাতে ছিলো দুই দিনেরও বেশি সময়। ধাওয়ান- কোহলিদের জন্য কাজটা মোটেও কঠিন হওয়ার কথা ছিলো না। টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে ১৭৬ রানকে যদিও কম বলা যায় না, আবার অসম্ভবও বলার সুযোগ নেই। তারপরও পারলো না ভারত। রঞ্জনা হেরাথের ঘূর্ণির সামনে গুটিয়ে গেছে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটিং লাইন।
১৭৬ রানের পিছনে ছুটতে গিয়ে তৃতীয় দিন শেষ বিকেলে লোকেশ রাহুলের উইকেট হারায় ভারত। চতুর্থ দিনটা তাদের শুরু করতে হয় ১৫৩ রান পিছনে থেকে। তখনও হাতে ৯ উইকেট। এই ম্যাচে তাই শ্রীলঙ্কার জয়ের সম্ভাবনা ছিলো খুবই কম। কিন্তু চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষ হওয়ার আগেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ভারত।
রঞ্জনা হেরাথ ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম উইকেটটি নিয়েছিলেন তৃতীয় দিন বিকেল। তখনও বোঝা যায়নি, এই হেরাথের কাছেই মৃত্যু ঘটবে ভারতের স্বপ্নের। রাহুলের পর তিনি একে একে তুলে নেন ইশান্ত শর্মা, রোহিত শর্মা, ঋদ্ধিমান সাহা, হরভাজন সিং, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও অজিঙ্কা রাহানেকে। হেরাথের হাতেই শেষ হয়ে যায় ভারত। ১৭৬ রান তুলতে গিয়ে ভারত গুটিয়ে যায় ১১২ রানে, অর্থাৎ পিছিয়ে থাকা ম্যাচে ৬৩ রানে জিতে যায় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।
অথচ এই ম্যাচের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৮৩ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। অশ্বিনের ঘূর্ণির সামনে দাঁড়াতেই পারেননি লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। পরে নিজেদের প্রথম ইনিংসে শেখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলির দারুণ দুটি সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩৭৫ রান করে ১৯২ রানে এগিয়ে যা ভারত। এর জবাবে দিনেশ চান্দিমালের অপরাজিত ১৬২ রানে ভর করে ১৭৫ রানের লিড নেয় শ্রীলঙ্কা। ফলে জয়ের জন্য ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭৬ রান। চতুর্থ ইনিংসে এ রানই করতে পারলো না কোহলির ভারত। 

বিলবাওয়ের মাঠে বিধ্বস্ত বার্সেলোনা


দুর্দান্ত ছন্দে থাকা বার্সেলোনাকে মাটিতে নামিয়ে আনলো অ্যাথলেটিক বিলবাও। স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালের প্রথম লেগে মেসিদের ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে স্বাগতিক বিলবাও। ফলে এক বছরে ছয় শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা হুমকির মুখে পড়েছে লুইস এনরিকের দলের। মঙ্গলবার স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ সেভিয়াকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে বছরের চতুর্থ শিরোপা ঘরে তোলে গত মৌসুমের ট্রেবলজয়ী বার্সেলোনা। শুক্রবার বিলবাওয়ের বিপক্ষে ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামলেও স্বাগতিকদের কাছে রীতিমতো উড়ে গেছে মেসির দল। ঘরের মাঠ স্যান ম্যামেসে বিলবাওয়ের হয়ে হ্যাটট্টিক করেন অ্যারিস আদুরিস। অপর গোলটি করেন স্যান হোসে।
প্রথম লেগে সেরা একাদশে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, ইভান র‌্যাকিটিকি ও জেরার্ড পিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের না রাখার মাশুল ‍গুনতে হয়েছে লুইস এনরিককে। এদের অনুপস্থিতিতে মাসচেরানো, রাফিনহা ও সার্জিও রবার্তো মাঝমাঠে প্রভাব বিস্তার করতে ব্যর্থ হন। যে কারণে স্বাগতিকদের কাছে নাকাল হয়েছে কাতালানরা।
শুক্রবার বিলবাওয়ের মাঠে ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে বার্সা। গোলের পুরো দায়টা গোলরক্ষকের। ১৩তম মিনিটে বক্সের ওপরে উঠে এসে হেডে গোল ক্লিয়ার করেন মার্ক টার স্টেগান। তার হেড থেকে বল চলে যায় প্রায় মাঝমাঠে থাকা স্যান হোসের কাছে চলে যায়। ৪৫ গজ দূর থেকে নেয়া তার নেয়া বুলেটগতির শটে যখন বর জালের দিকে যাচ্ছিল তখন স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না বার্সার জার্মান গোলরক্ষকের।
২৬তম মিনিটে গোলের দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিলেন লুইস সুয়ারেজ। তবে তার প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দেন বিলবাও ডিফেন্ডার লাপোর্তে।
প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে ফের সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। তবে মেসির দারুণ ফ্রি-কিক ফিরিয়ে দিয়ে দলকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক গোরকা মোরেনো।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে খেলায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে পড়ে বার্সেলোনা। ৫০তম মিনিটে পেদ্রো রদ্রিগেজের শট ক্রসবারে লেগে ফিরলে বার্সা গোলবঞ্চিত হয়। দুই মিনিট পর মেসির দারুণ একটি প্রচেষ্টা অসাধারণ নৈপুণ্যে ব্যর্থ করে দেন বিলবাও গোলরক্ষক। পরের গল্পটুকু অ্যাথলেটিকো বিলবাও ও অ্যারিস আদুরিস’র।
৫৩ মিনিটে বিলবাওয়ের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অ্যারিস আদুরিস। সতীর্থ স্যাবিন ম্যারিনোর ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে বিলবাওকে ২-০ গোলে এগিয়ে নেন তিনি। ঝাঁপিয়ে পড়েও গোল ঠেকাতে পারেননি স্টোন। ৯ মিনিট পর অ্যারিস আদুরিস নিজের দ্বিতীয় ও দলের হয়ে তৃতীয় গোল করে বার্সা শিবির স্তব্ধ করে দেন। বার্সা ডিফেন্ডারদের ব্যর্থতায় ডি বক্সের ভেতরে বল পেয়ে জোরালো শটে জাল কাঁপান আদুরিস।
আর ৬৮তম মিনিটে পেনাল্টি থেকেই হ্যাটট্রিক পূরণ করে বার্সার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন এই বিলবাও তারকা। বিলবাওয়ের এক খেলোয়াড়কে বিপদসীমায় বাজে ট্যাকল করলে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। মার্ক স্টেগানকে ফাঁকি দিয়ে আলতো শটে বল জালে জড়ান আদুরিস।
গত মে মাসে কোপা ডেল রে’র ফাইনালে অ্যাথলেটিক বিলবাওকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয় করেছির বার্সেলোনা। স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালের প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে মেসিদের পেয়ে সেই প্রতিশোধ অনেকটাই আদায় করে নিলো বিলবাও।
প্রসঙ্গত, আগামী সোমবার ঘরের মাঠ ন্যু-ক্যাম্পে অ্যাথলেটিক বিলবাওকে আতিথ্য দিবে মেসি-সুয়ারেজের বার্সেলোনা। এক বছরে ছয় শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হলে বিলবাওকে কমপক্ষে ৫-০ গোলে হারাতে হবে গত মৌসুমের ট্রেবল জয়ীদের। অন্যদিকে বিলবাও যদি এক গোলও করে বসে তবে মেসিদের শিরোপা জিততে হলে কমপক্ষে ৬ গোল করতে হবে।

১৩৮ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি সেটা করলেন যারা

 ক্রিকেটে ১৩৮ বছরের ইতিহাসে যেটা নেই সেটা যোগ হলো এবার। এমনকি ধারনার বাইরেই ছিল যে ক্রিকেট বিশ্বে এই উদাহরণ সৃষ্টি হবে কিনা।

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলছে ভারত। এখানেই দুই ভারতীয় বোলারের অনন্য কীর্তিতে এল নতুন রেকর্ড। দুই দেশের এই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতীয় বোলিং আগুনে মুখ খুবড়ে পড়ে শ্রীলঙ্কার।

টেস্ট ক্রিকেট শুরুর পর অর্থাৎ ১৩৮ বছরের এই প্রথম দুই ওপেনারই ‘ডাক’ খেয়ে ফিরলেন স্পিনারদের বলে। গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসে ঘটেছে এই ঘটনা।

ভারতীয় বোলার রবিচন্দ্র অশ্বিন ও অমিত মিশ্র এই কীর্তির নায়ক। কোনো রান না করেই অশ্বিনের বলে বোল্ড হন করুনারত্নে। অন্যদিকে মিশ্র ঘূর্নিতে বোল্ড হন সিলভা। শ্রীলঙ্কার মাটিতে হয়ে গেল ক্রিকেটের একটি বিরল ঘটনা। যা এখন থেকে ইতিহাস হয়ে থাকবে। প্রথম ইনিংসে লঙ্কানরা ১৮৩ রানে গুটিয়ে যায়।

অন্যদিকে ভারত ৩৭৫ রান করে। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে কোনো রান না করেই শ্রীলঙ্কার দুই ওপনার সাজঘরে ফেরেন। এটা একটি নতুন ঘটনা।
-

মিসবাহ বিশ্বের সেরা অধিনায়ক, মুশফিক চতুর্থ


পাকিস্তানের মিসবাহ-উল-হককে বিশ্বের সেরা অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করেছে মর্যাদাসম্পন্ন ব্রিটিশ সংবাদপত্র টেলিগ্রাফ। পত্রিকাটি টেস্ট অধিনায়কদের যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে বাংলাদেশের মুশফিকুর রহীম রয়েছেন চতুর্থ স্থানে। নেতৃত্ব গুণ, প্রধান প্রধান অর্জন এবং টেস্ট রান মিলিয়ে এই তালিকা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিসবাহ এ যাবৱকালের সেরা টেস্ট অধিনায়কদের অন্যতম। ২০১০ সালে তিনি যথন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন পাকিস্তান দল ছিল মারাত্মক সঙ্কটে। স্পট-ফিক্সিংয়ের দায়ে তাদের তিন খেলোয়াড় ছিল নিষিদ্ধ। কিন্ত তিনি সেই অবস্থা থেকে পাকিস্তানকে বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটিতে পরিণত করেন। তার অধীনে পাকিস্তান একে একে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যঅন্ড, শ্রীলঙ্কার মতো দলকে পরাজিত করেছে। ব্যাট হাতেও তিনি সাবলীল। গড়ে রান করেছেন ৫০, সর্বকালের দ্রুততম টেস্ট সেঞ্চুরিতে তিনি যৌথভাবে প্রথম স্থানে রয়েছেন।
সেরা অধিনায়কের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তৃতীয় স্থানে শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, চতুর্থ স্থানে বাংলাদেশের মুশফিকুর রহীম, পঞ্চম স্থানে ইংল্যান্ডের অ্যালিস্টার কুক, ষষ্ট স্থানে দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা, ৭ম স্থানে ভারতের বিরাট কোহলি, ৮ম স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মাইকেল ক্লার্ক, ৯ম স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিনেশ রামদিন।
f

ভারতকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা বাংলাদেশ


অ্যাশেজ হারের কষ্ট প্রলেপ দিতে আবার রিকি পন্টিংকে ফেরাচ্ছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তবে ক্রিকেটার হিসেবে নয়। সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংকে জাতীয় দলের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে চায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এ বিষয়ে অসিদের দলীয় পারফর্ম্যান্স বিশ্লেষক প্যাট হাওয়ার্ড সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘পন্টিংকে পরামর্শক হিসেবে পেলে আমাদের ভালো হবে।’
প্যাট জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি পন্টিংয়ের সাথে আলোচনা এগিয়ে নিয়েছে। ওয়ানডে ও টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী পন্টিং ইতোমধ্যেই কোচ হিসেবে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। সর্বশেষ আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের প্রধান কোচ ছিলেন তিনি। আসরে মুম্বাই চ্যাম্পিয়ন হয় তার অধীনেই।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এ প্রসঙ্গে প্যাট হাওয়ার্ডের একটি মন্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। তাতে তিনি বলেছেন, ‘আমরা চলতি বছর বেশ কয়েকবার পন্টিংয়ের সাথে আলোচনা করেছি। বোর্ড এখন তাকে দলের সাথে রাখার জন্য মুখিয়ে আছে। আমার মনে হয় পন্টিংও এটি চায়।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ করার পন্টিং প্রধানত দুটি ভূমিকা পালন করছেন। অ্যাশেজ সিরিজ এলে স্কাই স্পোর্টসের হয়ে ধারাভাষ্য দেন তিনি। এ ছাড়া বিগ ব্যাশেও তিনি এই কাজ করেন টেন টেনওয়ার্কের সাথে। তার দ্বিতীয় ভূমিকা হলো আইপিএলের অন্যতম শক্তিশালী দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচ।
দলের উন্নতির জন্য ড্যারেন লেম্যানের সময়ে যে কোনো দেশের কিংবদন্তী খেলোয়াড়দের সহযোগিতা নিতে পারে অস্ট্রেলিয়া। যেমন স্পিনারদের সহায়তার জন্য শেন ওয়ার্নের পাশাপাশি ডাকা হয়েছিলো লঙ্কান মুত্তিয়া মুরালিধরনকেও।

টি২০ বিশ্বকাপের একই গ্রুপে ভারত-পাকিস্তান!


চলতি বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের একই গ্রুপে খেলেছিল ভারত-পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট বিশ্বকাপ বিপুল আগ্রহ পেয়েছিল প্রথম রাউন্ডেই। আগামী বছরের টি২০ বিশ্বকাপেও একই দৃশ্য দেখা যেতে পারে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে একই গ্রুপে পড়তে পারে ভারত-পাকিস্তান। পাশাপাশি ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপটিতে বাড়তি মনোযোগও পাচ্ছে পাকিস্তান।
নিরাপত্তাজনিত কারণে শহিদ আফ্রিদিদের মুম্বাই এবং নাগপুরে কোনো ম্যাচই রাখতে চায় না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।
শনিবার লন্ডনে আইসিসির বার্ষিক কনফারেন্সে টি২০ বিশ্বকাপ ছাড়াও আলোচনা হয়েছে ২০১৫-২৩ মেয়াদের সম্ভাব্য ক্রিকেট সূচি এবং ২০১৭ সালের আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পয়নশিপ নিয়ে। মূলত ওই সভার সূত্রেই টি২০ বিশ্বকাপের ভারত-পাকিস্তান গ্রুপিংয়ের আগাম খবর দিয়েছে ভারতীয় মিডিয়া। এখন পর্যন্ত যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ফিকশ্চার প্রকাশ করা হয়নি।
আগামী বছরের টি২০ বিশ্বকাপ মাঠে গড়াবে ১১ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সকে ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে চূড়ান্ত করা হলেও অন্যান্য ভেন্যু এখনও আলোচনার জন্য সীমাবদ্ধ। তবে অনেকটাই নিশ্চিত মুম্বাই, দিল্লি, মোহালি, ব্যাঙ্গালুরু ও নাগপুরের ভেন্যু।
এর মধ্যে নাগপুর ও মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম মহারাস্ট্রে অবস্থিত। এই ভেন্যুগুলোতে পাকিস্তান খেলতে গেলে কট্টরপন্থি শিবসেনা কর্তৃক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা আছে বিধায় সেখানে আফ্রিদিদের কোনো ম্যাচই না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই।
বোর্ডের সচিব অনুরাগ ঠাকুর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, 'মহারাষ্ট্র সরকার আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন, পাকিস্তানের খেলা যেন এখানে না রাখা হয়। এখানকার রাজনৈতিক দল বিক্ষোভ দেখালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। আগামী বছর দুই দেশের সম্পর্ক কোন পর্যায়ে থাকবে আমরা জানি না। তবে কোনো ঝুঁকি আমরা নিতে চাই না।'
ষোলো দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত বিশ্বকাপের মূল পর্বে সরাসরি খেলবে টি২০ র‌্যাংকিংয়ের প্রথম আটটি দল। ছয় সহযোগী দলের সঙ্গে বাছাই পর্ব খেলে পার হতে হবে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়েকে। এরই মধ্যে টি২০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, হংকং, নেদারল্যান্ডস, আফগানিস্তান ও ওমান। বাছাই পর্বের গ্রুপিং এ সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত হতে পারে।

'রিসের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবে না মেসিও!'


সাকিব-তামিমদের নতুন নেতা হতে চান যে টাইগার ক্রিকেটার

স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেটে টিমের দায়িত্বটা মুলত মাশরাফি বিন মতুর্জার হাতে। মাশরাফি বিন মতুর্জা শারিরীক কারণে টেস্ট খেলতে পারছেন না। মুশফিক টেস্টে অধিনায়ক রয়েছেন। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড টেস্টের জন্য নতুন অধিনায়ককে খুঁজছে। তখন এক টাইগার তারকা জানিয়ে দিলেন তিনি দেশের দায়িত্ব নিতে রাজি চান।  

ঘরোয়া ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসাবে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। প্রিমিয়ার লীগে গত ৪ মৌসুমের ৩টিতেই তার নেতৃত্বাধীন দল হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। একসময় জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক ছিলেন। এই ক্রিকেটার আর কেউ নন। তিনি হলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশের ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক হতে চান তিনি। রিয়াদ জানান, বোর্ড থেকে তাকে দায়িত্ব তিনি সার্বিক উন্নতির জন্য কাজ করবেন।  

রিয়াদ জানান, আমি স্বপ্ন দেখি যে আমি জাতীয় দলের ক্যাপ্টেনসি করবো। পরে তিনি বলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে তিন-চার বছর ধরে নিয়মিত ক্যাপ্টেনসি করছি এবং আলহামদুলিল্লাহ রেজাল্টও ভাল হচ্ছে।
 
ক্যাপ্টেনসিটা তিনি উপভোগ করেন বলেও জানান। রিয়াদ শংকোচহীন কন্ঠে বলেন, এ দায়িত্ব পেলে আমার ভালো লাগবে। আমাকে ভালো খেলতে আরো অনুপ্রেরণা দিবে।

অস্ট্রেলিয়া দলের ৮ জনের আর টেস্ট খেলা উচিত নয়: পন্টিং

অনলাইন ডেস্ক
অ্যাসেজ খেলতে এই মুহূর্তে ইংল্যান্ড সফররত অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলের আট খেলোয়াড়ের আর কখনো টেস্ট খেলা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন অস্ট্রেলিয়া দলের সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং।
 
অ্যাসেজে দলের বাজে পারফরমেন্সের পর অস্ট্রেলিয়া দলে পরিবর্তন আনা প্রসঙ্গে শুক্রবার ইসপিএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন রিকি পন্টিং। খবর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার
 
তার মতে ৪০ বছর বয়সী রায়ান হ্যারিস, ক্রিস রগার্স, ব্রাড হাডিন, শেন ওয়াটসনসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের এ সিরিজের পর থেকে নিজেদের পথ দেখা উচিত।
 
তবে খেলোয়াড় নির্বাচনের ক্ষেত্রে বয়স বিবেচনা গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা সব সময় যে সঠিক নয় তা সম্প্রতি প্রমাণিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক এই অধিনায়ক। এ প্রসঙ্গে তিনি ক্রিস রগার্স, ভোগেস ও মাইক হাসির দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন।
 
অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের অন্যতম সেরা এই অধিনায়ক বলেন, 'আমাদের মেনে নেওয়া উচিত ইংল্যান্ড আমাদের চেয়ে সব বিভাগেই ভাল খেলেছে। যে পিচে আমরা ৬০ রানে অলআউট হয়েছি, সেই পিচেই ৩৯১ করেছে ইংল্যান্ড। আর আমরা এখন ২৪২/৭।'
 
অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের কাছে এটা খুব খারাপ দিন বলে মন্তব্য করেন সাবেক এই অধিনায়ক।

অস্ট্রেলিয়া ১১১ বলে অল আউট


আস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে লড়াইয়ের আগে অারেকটি আসরে টাইগাররা

দীর্ঘদিন টানা পরিশ্রমের পর বিশ্রামে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। নিজ নিজ আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে একান্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। তবে এই বিশ্রাম শেষে আবার হাড্ডি-হাড্ডি লড়াইয়ে নামতে হবে তাদের।
অস্ট্রেলিয়াতো আসছে। আর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজের চেয়েও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট লড়াই রয়েছে সামনে। কোরবানীর ঈদের ছুটির আগে ফ্র্যাঞ্চাইচি ভিত্তিক চারদিনের ক্রিকেটে লীগ বিসিএলের আয়োজন করতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
বিসিএল টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বিসিএল আয়োজনে আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা এখনও এটি নিয়ে আলোচনা করছি। বিসিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে প্রস্তুাব দেয়া হবে।
তবে এখানে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছেন বিসিবির ম্যানেজার খালেদ মাসুদ সুজন। তার কন্ঠে আবার রয়েছে ভিন্ন সুর। তিনি বলেছেন, আমার মনে হয় ঈদের আগে এ আসরের আয়োজন করা সম্ভব হবে না।
তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা ঠিকই নড়েচড়ে উঠেছে এই জনপ্রিয় আসর নিয়ে। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এ বিষয়ে কি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় সে জন্যই অপেক্ষা করতে হবে।

সঠিক মৌসুমে বড় সিরিজ খেলার আশা মুশফিকের



Video of Day




Twitter Follow

Translate