শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি ও ক্রয় ক্ষমতা রোধ করতে পাঁচ টাকার নোটকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর ফলে পাঁচ টাকার নোট এখন থেকে আর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।
সোমবার মন্ত্রিসভার একটি বৈঠকে এ ব্যাপারে নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।
এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংককে পাঁচ টাকার নতুন নোট ইস্যু না করতে জানিয়ে দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থ সচিব স্বাক্ষরিত পাঁচ টাকার নতুন নোট আগামি বছরের শুরুতেই বাজারে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে পাঁচ টাকার ব্যাংক নোট সরকারি মুদ্রায় রূপান্তরিত হলেও প্রচলিত পাঁচ টাকার নোট ও কয়েন বাতিল না করে বরং ধীরে ধীরে নতুন ছাপানো নোটের জায়গায় প্রতিস্থাপিত হবে।
এর আগে শুধুমাত্র ১৯৮৯ সালে সর্বপ্রথম দুই টাকার ব্যাংক নোটকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তরিত করা হয়। সে সময় এই জন্য ‘বাংলাদেশ কয়েনেজ অর্ডার’ সংশোধন করতে হয়েছিলো। এবারে পাঁচ টাকাকে সরকারি মুদ্রা করতেও দুই টাকার নোটের মতো ‘বাংলাদেশ কয়েনেজ অর্ডার’ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৮৩-১৯৭২) সংশোধন করতে হবে। এ সংশোধনী অর্থ বিভাগের উদ্যোগে সম্পাদিত হবে।
এ বছরের ১৮ জানুয়ারি ‘পাঁচ টাকা মূল্যমান পর্যন্ত নোট ও কয়েন সরকারি মুদ্রায় রূপান্তর’ শীর্ষক একটি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ড. আতিউর রহমান, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 comments:

Post a Comment

Video of Day




Twitter Follow

Translate